রিজার্ভ চুরি হওয়ার ঘটনায় অর্থ পরিশোধের আদেশ প্রদানকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩টি আইডি সনাক্ত করেছে তদন্ত কমিটি।
বাংলাদেশ ব্যাংক সুত্রে জানা গেছে, জালিয়াতরা সিস্টেমে ঢুকে অনেক পুরোনো রেকর্ড মুছে দিয়েছে। আর ফিলপাইনের রিজাল ব্যাংকের জুপিটার স্ট্রিট, মাকাতি শাখার ব্যবস্থাপকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির তদন্তকারীরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরিতে কারা জড়িত, তাদের খুজে বের করা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার— এ কথা উল্লেখ করে তদন্ত কমিটির সদস্যরা বলেন, পেমেন্ট আদেশ প্রদানকারী কয়েকটি আইডি এরইমধ্যে সনাক্ত করা হয়েছে।
তদন্তকারীদের ভাষ্য মতে. জালিয়াতরা প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেমে ঢুকে। সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে তারা অর্থ প্রদানের জন্য ৩৫টি অথেন্টিক আদেশ পাঠায়। এ আদেশ অনুযায়ী ফেডারেল রিজার্ভ ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার এবং শ্রীলঙ্কায় ২ কোটি ডলার পাঠিয়ে দেয়।
তদন্তকারীরা আরো বলেন, কিছু প্রশ্নের জবাব পেলে জড়িতদের সনাক্ত করা যাবে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা।
এদিকে, অর্থ চুরির ঘটনায় রিজাল ব্যাংকের মাকাতি শাখার ব্যবস্থাপক মাইয়া সান্তোস দেগিতো জড়িত কিনা তাও তদন্ত করছে দেশটির মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ কাউন্সিল। শুক্রবার ম্যানিলা থেকে জাপানে যাওয়ার সময় তাকে বিমান থেকে নামিয়ে আটকে দেয়া। তার দেশ ত্যাগে নিশেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।