রিজার্ভ চুরির ঘটনা চেপে যাওয়ার চেষ্টা করায় বাংলাদেশ ব্যাংকের উপর অসন্তুষ্ট অর্থমন্ত্রনালয়—উল্লেখ করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম বলেন, ফিলিপাইনে চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে, ৬৮ হাজার ডলার আদায় হয়েছে।
রোববার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এসময় অসন্তোষ প্রকাশ করে সচিব বলেন, ঘটনা সম্পর্কে অর্থমন্ত্রনালয়কে কিছুই জানায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। এমনকি গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বোর্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড মিটিং, ২৮ ফেব্রুয়ারি ও এক মার্চে অডিট কমিটির বৈঠকে বিষয়টি চেপে যাওয়া হয়েছে বলেও জানান আসলাম আলম।
এতো বড় চুরির ঘটনা কেন অর্থমন্ত্রনালয়কে জানানো হয়নি শিগগিরই তার ব্যাখ্যা দেয়া হবে—উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান বলেন, চুরি যাওয়া বাকি ৮ কোটি ৯ লাখ ৩২ হাজার ডলার তা উদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগবে।
রিজার্ভ চুরির ১০ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে, ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার গিয়েছে ফিলিপাইনে ৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ রিজাল ব্যাংকের ৬টি অ্যাকাউন্ট জব্দ করার পর, অ্যাকাউন্টগুলোতে তখনো ৬৮ হাজার ডলার জমা ছিল। যা বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে এসেছে বলে জানা গেছে।
বাকি ৮ কোটি ৯ লাখ ৩২ হাজার ডলার কোথায় কিভাবে আছে, তার কোন হদিস নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। যদিও ফিলিপাইনের ক্যাসিনো নিয়ন্ত্রণকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থা-ফিলিপাইন এ্যামিউজমেন্ট গেমিং করপোরেশন জানিয়েছে, ৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার একটি মানি এক্সচেঞ্জ থেকে পেসোতে রুপান্তর হয়ে, কয়েকটি ক্যাসিনোতে গেছে। যা পরবর্তিতে মিশে গেছে ফিলিপাইনের আর্থিক ব্যবস্থায়।