বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়নে সহায়তা করতে চায় কানাডা—উল্লেখ করে একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন পোশাক কারখানা নির্মাণেও কারিগরি সহায়তা দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন ঢাকায় নিযুক্ত কানাডীয় হাইকমিশনার বেনিয়েট পিয়েরে লারামে।
মঙ্গলবার সকালে বিজিএমইএ ও কানাডিয়ান হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে তিনি একথা বলেন।
কানাডীয় হাইকমিশার নিজ দেশের পোশাক শিল্প কারখানার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়নে বর্তমানে যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তার প্রশংসা করেন। ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কানাডা সহায়তা দেবে বলেও জানান তিনি।
বেনিয়েট পিয়েরে লারামে বলেন, ‘তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার উন্নয়নে বাংলাদেশের উদ্যোগে কানাডা সন্তুষ্ট। বর্তমানে এ খাত আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছেছে। তবে কারখানাগুলোকে পরিবেশবান্ধব করতে হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কানাডার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে।’
আর ২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে উদ্যোক্তাদের সুদের হার কমানোর তাগিদ দিয়েছে বিজিএমই।
বিজিএমই’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে রপ্তানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হলে নতুন কারখানাগুলোতে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সংযোগের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের ব্যাংক ঋণে সুদের হার কমাতে হবে।’
এ সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগ আরো বাড়াতে কানাডীয় ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য হাইকমিশনারের প্রতি আহবান জানায় তিনি।
কানাডায় বর্তমানে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার। আর ২০২১ সাল নাগাদ এ রপ্তানির হার ৫ গুণ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।