ফার্নেস ওয়েলের দাম কমলেও—কমছে না বিদ্যুতের দাম বরং বিদ্যুতের দাম আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। পেট্রোল, ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানির দাম কমানো হবে কিনা, সে ব্যাপারে এখনো চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে ফার্নেস ওয়েলের দাম কমানোর ইতিবাচক ফল দেখা দিলে, এর দাম আরও কমানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।
বিশ্ববাজারে ফার্নেস ওয়েলের দাম কমতে কমতে প্রতি লিটারের দাম নেমে এসেছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু দেশের বাজারে তা ছিল ৬০ টাকা লিটার। অবশেষে বৃহস্পতিবার সরকার ফার্নেস ওয়েলের দাম লিটার প্রতি ১৮ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয়।
দেশে কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং শিল্প উৎপাদনে ফার্নেস ওয়েল ব্যাবহার করা হয়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি এ জ্বালানির কোন ব্যবহার নেই।
হিসেব অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ জ্বালানির দাম কমার ফলে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয়ও কমে আসবে। তবে কমবে না বিদ্যুতের দাম।
বিশ্ব বাজারে যখন প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ১০০ ডলারের উপরে, তখন ২০১৩ সালে প্রতি লিটার অকটেনের দাম বাড়িয়ে ৯৯ টাকা, পেট্রোল ৯৬ টাকা এবং কেরোসিন ও ডিজেল ৬৮ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বর্তমানে প্রতি ব্যারেল অপনিশোধিত তেলের দাম নেমে এসেছে ৪০ ডলারে। তবে কমেনি এসব জ্বালানির দাম।
ফার্নেস ওয়েলের দাম কমানোর ইতিবাচক ফল দেখা দিলে, সরকার অন্যসব জ্বালানির মুল্য সমন্বয়ের কথা চিন্তা করবে বলে জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।