চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারমুখী রেলপথ প্রকল্পের ব্যয় ও সময়সীমা বাড়ানোর সংশোধনী প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেন, দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে প্রথমবারের মতো সংশোধন ও পাশাপাশি ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
সংশোধনীর পর প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি।
২০১০ সালে অনুমোদনের সময় মূল প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। ২০১৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য ঠিক হয়েছিল বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন আগামী তিন বছরের মধ্যেই দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত কাজ শেষ করতে হবে।
ব্যয় বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আগে মিটার গেজে প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল— এখন ডুয়েল গেজে (মিটার গেজ এবং ব্রড গেজ) রূপান্তরিত করার কারণে জমি অধিগ্রহণসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় অনেক বাড়বে।
২০১০ সালের তুলনায় এখন জমির দাম অনেক বেড়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এই প্রকল্পের জন্য এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক- এডিবি ১৩ হাজার ১১৫ কোটি টাকা ঋণ দেবে; বাকি চার হাজার ৯১৯ কোটি টাকা আসবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এবং রামু থেকে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী উখিয়ার ঘুমধুম পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার পথ ট্রেনে যাওয়া যাবে।