ফিলিপিন্সে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে চুরি করে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ ফেরত আনতে দুই দেশের আইনগত বিষয় পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গঠিত আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান এক সভার পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ফিলিপাইন থেকে অর্থ ফেরত আনতে লিগ্যাল অ্যাডভাইস দরকার— অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ও বাংলাদেশ ব্যাংককে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
কোন প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ নিতে হবে- এই দুই সংস্থা সেটা আগামী বৈঠকে উপস্থাপন করবে।
গত ১৩ এপ্রিল সাত সদস্যের এই আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন করে প্রতিনিধিকে টাস্কফোর্সের সদস্য করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নামে সুইফট (সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন) মেসেজিং সিস্টেমে ‘ভুয়া’ বার্তা পাঠিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ১০ কোটি ডলার ফিলিপিন্স ও শ্রীলঙ্কার দুটি ব্যাংকে সরানো হয়।
বানান ভুলের কারণে শ্রীলঙ্কার ২ কোটি ডলার আটকানো গেলেও ফিলিপিন্সে যাওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলারের অধিকাংশ ক্যাসিনোয় যাওয়ার পর দেশটি থেকে পাচার হয়ে যায় বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।