আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য সুইফট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবহৃত কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল ছিল না বলে জানিয়েছেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ফরেনসিক ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের প্রধান শাহ আলম।
শুক্রবার রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
শাহ আলম বলেন, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুরক্ষিত নয়— কারণ আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য সুইফট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবহৃত কম্পিউটারে ফায়ারওয়াল ছিল না এবং এতে ব্যবহার করা হয় ১০ ডলার দামের পুরনো সুইচ।
তিনি আরো বলেন, ফায়ারওয়াল থাকলে হ্যাক করা কঠিন হতো। সস্তা সুইচের পরিবর্তে কয়েক লাখ টাকা দামের অত্যাধুনিক সুইচ ব্যবহার করলে তদন্তকারীরা জানতে পারতেন হ্যাকাররা কি করেছিল এবং কোথা থেকে হ্যাক করেছিল বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা নিশ্চিত করে বলেন, নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সুইচগুলোর পুরনো এবং সেগুলো আপগ্রেডের করার প্রয়োজন ছিল। চুরির ঘটনার পর দুজন সুইফ ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংক পরিদর্শনে এসে সিস্টেম আপগ্রেডের পরামর্শ দেয় বলেও জানান তিনি।
এদিকে, রিজার্ভের অর্থ চুরির মামলায় ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিলে তা বিশ্বাসযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ব্যাংকটির আইন সংক্রান্ত বিভাগের প্রধান মাসেল এস্তাভিলো।
তিনি বলেন, মিথ্যা বলা তার সহজাত স্বভাব। এর আগে রিজার্ভ চুরির মামলায় দেগুইতো রাজসাক্ষী হচ্ছেন— তার আইনজীবী ফার্দিনান্দ তোপাসিও বৃহস্পতিবার আবারো এ কথা জানালে এমন মন্তব্য করেন এস্তাভিলো।