কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সহায়তা সত্ত্বেও ঠেকানো যাচ্ছে না দেশের পুঁজি বাজারে দরপতন। সূচক কমতে কমতে নেমে এসেছে প্রায় ৪ হাজারের ঘরে। আস্থাহীনতা আর তারল্য সংকটের কারণে এ দরপতন ঠেকানো যাচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসির নিস্ক্রিয়তাকে দায়ী করছেন বিনিয়োগকারীরা। বাজারে তারল্য সরবরাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে, দরপতন ঠেকানো যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
গত দুই সপ্তাহ ধরে ২/১ দিন ছাড়া প্রায় সব কার্যদিবসেই কমেছে পুঁজিবাজারের লেনদেন ও সূচক। কমতে কমতে সূচক নেমে এসেছে প্রায় ৪ হাজারের ঘরে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। যে কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এখন বিনিয়োগ করছে না। এর ফলে পুঁজি বাজার ধুকছে তারল্য সংকটে।
এ অবস্থায় নীতি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় করার সময়সীমা না বাড়ালেও, বিনিয়োগ সমন্বয় করতে শেয়ার বিক্রি করতে হবে না বলে জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু তারপরও দরপতন ঠেকানো যাচ্ছে না।
বাজারে তারল্য সংকটের মাঝেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এখনো অতিরিক্ত দামে আইপিও অনুমোদন দিচ্ছে। যা বাজারের প্রতি আস্থাহীনতাই বাড়াচ্ছে-বলছেন বিনিয়োগকারীরা।
ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট প্রণয়ন, লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ না দেওয়া আর এসইসিকে আরও সক্রিয় করতে পারলে, বাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তারা মনে করেন।
আসছে বাজেটে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা থাকবে বলেও প্রত্যাশা তাদের।