পুঁজির অভাবে স্থিতিশীল হচ্ছে না দেশের পুঁজিবাজার—এ পুঁজির সংস্থান করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দিকে তাকিয়ে আছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়লে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বলছেন ইচ্ছা থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধের কারণে তারা বেশি বিনিয়োগ করতে পারছেন না—এ অবস্থায় বিনিয়োগ সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চান তারা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে নীতি সহায়তা দেয়ার ঘোষণার পরও স্থিতিশীল হচ্ছে না দেশের পুঁজিবাজার।
গত ৮ কার্যদিবসের দুই দিন ছাড়া সব কার্যদিবসেই মূল্য সূচক কমেছে। লেনদেনও ক্রমেই কমে আসছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ কমিয়ে দিয়েছে। যে কারণে বাজারে পুঁজির সংকট দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ম্যার্চেন্ট ব্যাংকার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলধন অনুপাতে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করে দেয়ায় তারা চাইলেও এর বেশি বিনিয়োগ করতে পারছে না।
এ মার্চেন্ট ব্যাংকার মনে করেন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়াতে হবে—এ অবস্থায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান যাতে পুঁজিবাজারে বেশি বিনিয়োগ করতে পারে সেজন্য সহায়ক নীতিমালা চান তারা।
বাজার স্থিতিশীল করতে লোকসানি কোনো প্রতিষ্ঠানের আইপিও অনুমোদনের ব্যাপারে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান- এসইসিকে আরো সতর্ক হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।