আসন্য বাজেটে সব ধরনের সিগারেটের ওপর খুচরা মূল্যের ৭০% করারোপের দাবি জানিয়েছে তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। একইসঙ্গে বিড়ির ওপর কর ৪০% উন্নিত করার দাবি তাদের আর তামাকজাত পণ্যের ওপর স্বাস্থ্য উন্নয়ন ২% সারচার্জ আরোপের দাবিও রয়েছে।
বাজেটে তামাকে করারোপ বিষয়ে গোলটেবিল আলোচনায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। আর তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বাজেটে কর বাড়ানোর পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ আর উৎপাদন কমানোর পক্ষে মত দিয়েছেন আলোচকরা।
বেসরকারি সংস্থা গ্যাটসের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ৪৩% অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি ১৩ লাখ মানুষ তামাকজাত পণ্য ব্যবহার করে। এদের মধ্যে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের সংখ্যা ৭% আর এর ফলে এ সংক্রান্ত রোগে মৃত্যের সংখ্যা বছরে ১ লাখ।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে কীভাবে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করা যায়, সে বিষয়েই এই আলোচনার আয়োজন।
বেসরকারি সংস্থা প্রজ্ঞা, উফাত এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায়, তামাক চাষ কমানোর ওপরই জোর দিয়েছেন। তাদের মতে রাজস্ব বাড়ানোর পাশাপাশি তামাকের উৎপত্তিস্থল রোধ করা জরুরী।
আলোচনায় আসছে বাজেটে সব ধরনের সিগারেট ও জর্দা গুলের ওপর ৭০%, বিড়ির ওপর ৪০% এবং তামাক পণ্যের ওপর ২% সারচার্জ আরোপের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া যায় কি-না? এ নিয়েও আলোচনা করা হয়।
কর বাড়ানো হলে বাংলাদেশে ধূমপায়ীর সংখ্যা কমে আসার পাশাপাশি সরকারের বাড়তি ৭২০ কোটি টাকা সরকারের রাজস্ব আয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আলোচকরা।