তৈরি পোশাক শিল্পসহ সবধরনের পণ্য নেপালে রপ্তানি করবে বাংলাদেশ— একইসঙ্গে জলবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানি করবে নেপাল। আর দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে নৌ, রেল এবং সড়ক পথে যাতায়াত সহজ করা হবে।
মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন এবং নেপালের বাণিজ্য সচিব নায়ন্দ্র প্রসাদ উপাধ্যায়াসহ দুদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে এ কথা বলেন।
বর্তমানে ২৫.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য নেপালে রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশে ১১.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য নেপাল থেকে আমদানি করা হয়। দু'দেশের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ না থাকায় ভারত বা অন্যদেশ হয়ে এ বাণিজ্য হয়ে থাকে। সম্প্রতি নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ-ভারতের সঙ্গে চারদেশীয় সড়ক যোগাযোগের পথ তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে ঢাকায় দুদিনব্যাপী সচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে।
বৈঠকে, দুদেশের মধ্যে পণ্য আমদানিতে পারস্পারিক শুল্ক সুবিধা দেয়া, কাকরভিটা-পানিট্যাংকি-ফুলবাড়ি বাণিজ্য পথ পুরোপুরি চালু, রেল যোগাযোগ স্থাপন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য নেপালে বিসনেজ ভিসা সহজীকরণ এবং নেপালি নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশে আসার জন্য অন এরাইভ্যাল ভিসা চালু করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে রেল এবং সড়ক পথে ট্রানজিটের মাধ্যমে পণ্য আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করে নেপাল।
দুদিনব্যাপী বৈঠকে নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং পন্য সরাসরি ক্রয়-বিক্রয়ে টিসিবি এবং নেপালের পাবলিক ট্রেডিং করপোরেশন অব নেপাল-পিটিসিএন এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।