অর্থনীতি

রমজানে নিত্য পণ্যের দাম বাড়বে না আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী

আসন্ন রমজানে সারাদেশে ১৭৮টি ট্রাকে ন্যায্যমূল্যে পণ্যদ্রব্য বিক্রি করা হবে—উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৪০ থেকে ৫০ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে যা রপ্তানি করা হবে।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দ্রব্যমূল্য পর্যালচনা বিষয়ে আয়োজিত সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পর্যাপ্ত পরিমাণ মজুদ থাকার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না বলে মনে করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন না করি যাতে বাজারে একটা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি বলেন, রোজায় সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে ১৭৪টি ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করা হবে, স্বাভাবিকভাবে আমরা একটু কমে বিক্রি করা হবে। তার মানে এটা নয়, আমাদের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। আপনাদের আমদানি করতে হয় ডিউটি দিতে হয়।

একটা পণ্যের দাম বেশি হতে পারে, তখন যখন সরবরাহ চাহিদার তুলনায় কম থাকে— আমরা এতক্ষণ মূল্যায়ন করলাম, আমাদের কোনো পণ্যই চাহিদার থেকে কম নাই, বরং বেশি আছে বলে জানান তিনি।

রোজা সামনে রেখে ছোলার দাম বেড়েই চলেছে গত দুই সপ্তাহে কেজি প্রতি ২০ টাকা দাম বেড়েছে।

প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ছোলার চাহিদা ৬০ হাজার মেট্রিক টন, আমাদের মজুদ আছে ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। রোজা চলে গেলে এ পণ্য আপনারা কীভাবে বিক্রি করবেন? ডাল করে বিক্রি করতে হবে।

চিনি আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চিনির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম একটু বেশি, তাই এখানে দাম একটু উঠানামা করছে। আমাদের দেশীয় চিনি শিল্পকে সংরক্ষণের প্রয়োজন আছে, নয়ত চিনির কলের শ্রমিকরা বেকার হয়ে যাবে। একটা পরিবারে যদি পাঁচজন করে সদস্য থাকে, তাহলে ৫০ লাখ মানুষ এই চিনি শিল্পের সাথে জড়িত। সেটাকে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন আছে। নানা কারণে আমরা একটু ডিউটি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।

জ্যেষ্ঠ বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন বলেন, দেশে বর্তমানে ১৮ লাখ ৬১ হাজার টন চাল উদ্বৃত্ত আছে। গমের অবস্থাও একই।

বছরে ভোজ্য তেলের চাহিদা ১৫ লাখ টন, সেখানে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে ১৮ লাখ ২৫ হাজার টন। গত বছরের রয়ে যাওয়া মিলিয়ে এখন চিনি আছে ২২ লাখ টনের মতো, যেখানে ১৪ থেকে ১৫ লাখ টন চিনির চাহিদা রয়েছে। মসুর ডালের চাহিদা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন, সেখানে দেশে উৎপাদিত হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার টন- আর আমদানি করা হয়েছে ২ লাখ টন। ছোলার চাহিদা ৬০ হাজার টন, আমাদের উৎপাদিত হয় ৭ হাজার টনের মতো। গত অর্থ বছরে ৩ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করা হয়েছে। এ বছর ২ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন প্রবেশ করেছে। বিপুল পরিমাণ বাড়তি মজুদ রয়েছে। খেজুরের চাহিদা ১৩ হাজার মেট্রিক টন, সেখানে এরইমধ্যে ২৭ হাজার মেট্রিক টন দেশে প্রবেশ করেছে । পেঁয়াজের ক্ষেত্রে ২২ লাখ মেট্রিক টন চাহিদার বিপরীতে দেশে উৎপাদিত হয়েছে ১৭ লাখ মেট্রিক টন। আর বিদেশ থেকে এসেছে ৬ লাখ মেট্রিক টন। রসুনের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টনের চাহিদা আছে, দেশে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টন উৎপাদিত হয়েছে এছাড়া ৪০ হাজার টন আমদানি হয়েছে।

এর বাইরে আমদানির জন্য আরও এলসি খোলা হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, সেগুলো আনা হলে রসুনের কোনো ঘাটতি থাকবে না।

আদার ক্ষেত্রেও তাই, হলুদের ক্ষেত্রেও।

দেশটিভি/টিআরটি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ইবিএইউবি-এ পালিত হলো ‘শেখ রাসেল দিবস’

আবার দাম কমেছে স্বর্ণের

জুয়েলারি পণ্য অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে: এফবিসিসিআই সভাপতি

গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ, আইজি ও আয়াত এডুকেশন

‘চায়না-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহজীকরণ’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ