রোজা আসতে আরও কয়েকদিন বাকি— তবে এরইমধ্যে রোজার পণ্য নিয়ে বাজার বেশ সরগরম।
বিশেষ করে চিনি, ছোলা, বেসন, এবং খেজুরের মতো পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। এ বাড়তি চাহিদার কথা চিন্তা করে, প্রতিবারের মত এবারও বাজারে তদারকি বাড়ানোর কথা বলছে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। তবে বাজারে এর প্রভাব খুব বেশি পড়ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।
সরকারের তদারকির কোন সুফল মিলছে না নিত্য পণ্যের বাজারে। এখনো রোজায় বেশি ব্যবহৃত পণ্য বিক্রি হচ্ছে উচ্চ দামেই। এ জন্য খুচরা বিক্রেতারা দুষছেন আমদানিকারক এবং পাইকারি ব্যবসায়ীদেরকে।
আর ভোক্তারা দাবি করছেন, সরকার যেন আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে খুচরা বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণ করে। তারা মনে করছে দাম নির্ধারণ করে, তদারকি জোরদার করলে, বাজারে পণ্য ও সেবার ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজা আসার আগেই পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ছোলার দাম বেড়েছে গড়ে ২০ টাকা করে। চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা। খেজুরসহ বেশ কিছু ফলমূলেরও দাম বেড়েছে। আমদানিকারক এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা যোগসাজস করেই দাম বাড়িয়ে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে, রোজাকে সামনে রেখে মাছ-মাংস এবং শাকসবজির দামও উর্ধ্বমুখি। বিশেষ করে মাছের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে আগের চেয়ে গড়ে ১০ টাকা করে। এছাড়া কাঁচ মরিচ ও বেগুনের দামও বাড়তির দিকে।