বিগত বছরগুলোতে রাজধানীসহ সারাদেশে ভেজালবিরোধী অভিযান যেভাবে চলেছে— গত একবছরে তা তেমন চোখে পড়েনি। যা হয়েছে তাও একেবারেই সীমিত পরিসরে। দৃশ্যতঃ খাদ্য ভেজালমুক্ত মনে হলেও, বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বাজারে ভেজাল খাবার বিক্রি আগের তুলনায় কিছুটা কমে গেলেও এখনো খাবার ভেজালমুক্ত হয়নি বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ।
তবে রমজানে খাদ্যে ভেজালের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর।
বিগত বছরগুলোতে ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে বেশ নিয়মিতই অভিযান চালাতে দেখা গেছে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাগুলোকে। পাশাপাশি কাজ করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইও। বিশেষ করে মৌসুমী ফলের সময় এ অভিযান চলেছে সবচেয়ে বেশি।
এবার রোজা পড়েছে মৌসুমী ফলের ভরা মৌসুমে। পুরো রমজান জুড়েই পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের ফল। তবে এবার র্যা বের কিছু অভিযান ছাড়া এসব ফলের বাজারে এখন পর্যন্ত অন্য সংস্থার অভিযান চোখে পড়েনি।
এ অবস্থায় উদ্বিগ্ন ভোক্তারা। তারা মনে করছেন, অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও খাদ্যে ভেজালকারীদের দৌরাত্ম্য এখনো বিদ্যমান।
তবে সংশ্লিষ্টরা জোরেশোরেই বলছেন, রমজানে ভেজালের বিরুদ্ধে এবার সরকার "জিরো টলারেন্স" নীতি নিয়েছে। বাড়ানো হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যাও।
সেইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারকরাও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, রোজায় খাবারে কোনরকম ভেজাল পাওয়া গেলেই কঠোর ব্যবস্থা।
তবে ভোক্তাদের দাবি শুধু রমজানেই নয়, ভেজালবিরোধী অভিযান চালাতে হবে বছরজুড়েই। নিশ্চিত করতে হবে আইনের কঠোর প্রয়োগ।