খোলাবাজারে বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশন (টিসিবি) পণ্যের প্রচুর চাহিদা থাকলেও সরবরাহে ঘাটতি অনেক। ফলে ভোক্তারা এর সুফল পাচ্ছে সামান্যই। সেইসঙ্গে ৩ দিন ধরে টিসিবির পণ্য বিক্রি হলেও বাজারে এখনো এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পণ্য কেনাবেচার পদ্ধতিতে পরিবর্তন না আনতে পারলে, বাজার নিয়ন্ত্রণে টিসিবির পদক্ষেপে তেমন কোন সুফল মিলবেনা।
আর টিসিবি বলছে সরকারি ক্রয় পদ্ধতির বাইরে পণ্য ক্রয় সম্ভব নয় সংস্থাটির পক্ষে। সব মিলিয়ে ভোক্তাদের প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে এখনো বেশ দূরেই টিসিবি।
বেলা ১টা বেজে ৩০ মিনিট অথচ এর মধ্যেই ছোলা বাদে আর কোনো পণ্য নেই জাতীয় প্রেসক্লাবের পাশে টিসিবির এ খোলা ট্রাকে। হতাশ হয়ে ফিরতে হলো পণ্য কিনতে আসা মানুষজনকে।
গত রোববার থেকে সারাদেশে ১৮০টি পয়েন্টে খোলা ট্রাকের পাশাপাশি প্রায় তিন হাজার ডিলারের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে ৫ ধরণের নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি।
এগুলো হচ্ছে: ছোলা, চিনি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও খেঁজুর। বাজারের চেয়ে অনেক কম দামের পাশাপাশি এসব পণ্য মানের দিক দিয়েও বেশ উন্নত। তবে সমস্যা শুধু সরবরাহে ঘাটতি।
তবে টিসিবি বলছে, প্রথম কয়েকদিন চাহিদা বেশি থাকায় এমনটি ঘটছে। রোজা শুরু হলে পরিস্থিতি বদলাবে বলেই মনে করছে সংস্থাটি।
এদিকে, ৩ দিন ধরে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হলেও এখনো খোলাবাজারে দাম কমেনি কোনো নিত্যপণ্যেরই। সনাতনি ক্রয় পদ্ধতি এবং অধিকাংশ পণ্য স্থানীয় বাজার থেকে কেনার কারণেই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছেনা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আর সংস্থাটি বলছে , পণ্য কেনার ক্ষেত্রে সরকারী নিয়ম নীতিই একমাত্র ভরসা। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এমন প্রেক্ষাপটে ভোক্তাদের প্রত্যাশা, ক্রয় পদ্ধতির পরিবর্তন করে ন্যায্যমূল্যে আরো বেশি পরিমাণ পণ্য খোলাবাজারে নিয়ে আসবে টিসিবি।