প্রায় লাখ কোটি টাকার ঘাটতি মেটাতে নতুন বাজেটে করের আওতা বাড়ানোর যে প্রস্তাব করা হয়েছে তাতে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে— বাড়বে করের বোঝা ও সম্পদ বন্টনে বৈষম্য। তবে নাগরিক সেবা নিশ্চিত হলে এ চাপ সহনীয় হয়ে আসবে বলে মনে করছেন অনেকে।
সাধারণ মানুষের তাগিদ, এ সব বিষয়ের অসঙ্গতি দূর করেই যেন বাজেট পাশ করা হয়।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ টাকা।
এর মধ্যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এর ৭১% বেশি আসবে ভ্যাট ও আয়কর খাত থেকে। আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভ্যাট বাড়ানোয় বিশাল করের বোঝা পড়বে জনগণের ঘাড়ে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে পারিবারিক বাজেটে।
উৎপাদন ও পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে বাসাভাড়া, যাতায়াত খরচ, ভোগ্যপণ্য, শিক্ষাব্যয় ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সব কিছুতেই বাড়তি খরচের বোঝা নেমে আসবে। ব্যয় বাড়ার ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় সীমিত ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের।
তবে প্রদত্ত করের বিপরীতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুশাসনসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হলে স্বস্তি পাবে সাধারণ মানুষ।
প্রস্তাবিত বাজেটে টেকসই উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখা আর বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সরকারের এ বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী উপেক্ষিত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।