সরকারি তদারকির কোন সুফল মিলছেনা নিত্য পণ্যের বাজারে। রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা এমন সব পণ্যের দাম এখনো চড়া। এর উপরে আরেক দফা বেড়েছে চিনির দাম।
দোকানিদের দাবি, খুচরা বাজারে তদারকির হাকডাক দিয়ে নায্য মুল্যে পণ্য নিশ্চিত করা যাবেনা। বরং আমদানিকারক এবং পাইকারি বাজার যথাযথ তদারকি করতে পারলে নিত্য পণ্যের দাম কমে আসবে বলে তারা দাবি করছেন।
বাজার তদারকির অংশ হিসেবে প্রতিদিন গেটের সামনে রাখা বোর্ডে বিভিন্ন পণ্যের খুচরা মুল্য লিখে রাখা হচ্ছে। তবে এই মুল্যে পণ্য বিক্রি হচ্ছে কিনা, তা দেখার কেউ নেই।
এই যেমন ছোলা, বোর্ডে লেখা আছে সর্বোচ্চ খুচরা মুল্য কেজিতে ৮৬ টাকা। তবে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। ৫৬ টাকার চিনি ৬৫ টাকায়। বেগুন কেজি প্রতি বোর্ডে দাম লেখা ৩০-৩৫ টাকা আর বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়।
ভোক্তারা মনে করছে, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের হাকডাকই সার। ব্যবসায়ীরা বরাবরের মত, এবারেও ভোক্তাদের পকেট কাটছেন নিজেদের ইচ্ছামত।
খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, জিনিসপত্রের দাম খুচরা বাজারের ওপর নির্ভর করেনা। এটা নির্ধারিত হয় আমদানি ও পাইকারি পর্যায়ে। তাদের ওপর নজরদারি বাড়ালে পণ্যের নায্য মুল্য নিশ্চিত সম্ভব হবে বলে মনে করছেন খুচরা বিক্রেতারা।
গত ২/৩ বছরের মত, এবারও রোজায় প্রায় এক/দেড় মাস আগে থেকেই ছোলা, চিনিসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে এখনও সেই বাড়তি দামই অব্যাহত আছে।