মূল্য সংযোজন কর- মূসক সমস্যা সমাধানে ব্যবসায়ীদের কোর্টে বল ঠেলে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
নতুন মূসক আইন নিয়ে ব্যবসায়ীরা নমনীয় হলেই এ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার বিকেলে রাজধানীতে বাংলাদেশ স্ট্যাডি স্ট্রাস্ট আয়োজিত বাজটে আলোচনায় এ মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
তবে বাস্তবায়নের আগে নতুন মূসক আইনে কিছু সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর, ড. ফরাসউদ্দিন।
প্রস্তাবিত মূসকের হার ১৫ শতাংশ থেকে আরও কমিয়ে কয়েকটি স্তর নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যাডি ট্রাস্ট। এ প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে বাজেট আলোচনায় অংশ নেন দেশের নীতি নির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা।
অনুষ্ঠানে ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, বাজেটের পরিধি হওয়া উচিত ছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।
অর্থ পাচার রোধ, অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার আইনের যথাযথ প্রয়োগ, এবং কর আদায়ে বাস্তব কিছু পদক্ষেপ নিলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে বলেও মনে করেন তিনি।
পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে কিছু সংস্কার করে নতুন মূসক আইন বাস্তবায়নেরও তাগিদ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নর।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা সঠিকভাবে হিসাব রাখলে নতুন মূসক আইন বাস্তবায়ন সহজ হবে।
তিনি জানান, সঠিকভাবে হিসাব রাখার জন্য দোকানে দোকানে ইলেক্ট্রনিক রেজিস্ট্রার মেশিন সরবরাহ করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছর থেকে রাজস্ব আদায়ে আয়করের উপরই সর্বাধিক গুরত্ব দেয়া হবে। আর এ লক্ষ্য আগামী ২ বছরের মধ্যে করদাতার সংখ্যা ১২ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০/২১ লাখে উন্নীত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।