প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যমান কর ও শুল্ক হারের পরিবর্তনের বিধান রেখে অর্থবিল-২০১৬ সংশোধিত আকারে সংসদে পাস করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদে অর্থবিল-২০১৬ পাসের জন্য উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
তৈরি পোশাকসহ সব ধরনের পণ্যে রপ্তানি মূল্যের ওপর ১.৫ শতাংশ উৎসে কর কাটার যে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন, তা কমিয়ে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশে নামিয়ে আনাসহ কয়েকটি সংশোধনী এনে অর্থবিল-২০১৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
একাধিক সংসদ সদস্য আজ সংসদে বিলের উপর জনমত যাচাই ও বাছাই করার প্রস্তাব দেয়ার পর ভোটে নাকচ হয়ে যায়। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
সংসদে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি ও সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের সর্বাধিক ভোটে অর্থবিলটি পাস হয়।
এর আগে গত ২ জুন এ বিল উত্থাপন করা হয়। উত্থাপিত বিলের বিভিন্ন কর প্রস্তাবের ওপর মোট ১৮টি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।
সরকারি দলের গোলাম দস্তগীর গাজী, হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার, মো. শাহাবুদ্দিন, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, ফখরুল ইমাম, মো. নুরুল ইসলাম ওমর, নুরুল ইসলাম মিলন, বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী, মো. মামুনুর রশীদ ও স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনীর প্রস্তাব আনেন। জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়।
বিলটিতে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন ও শহীদুজ্জামান সরকার, সরকারি দলের গোলাম দস্তগীর গাজী ও মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর ১৮টি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। বাকি সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
বিলে ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু অর্থবছরের জন্য আর্থিক বিধান সম্বলিত কর ও শুল্ক প্রস্তাবের জন্য কতিপয় আইন ও বিধানের সংশোধন করা হয়েছে। তাছাড়া বিলে উল্লেখিত বিধানসমূহ ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করারও বিধান করা হয়েছে।