ঈদের পর এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার। পণ্যের যথেষ্ট সরবরাহ থাকলেও বাজারে ক্রেতাকম। তবে রোজায় জিনিসপত্রের দাম যে হারে বেড়েছিল, সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়ছেই। তাল মিলিয়ে আরেক দফা বেড়েছে চিনির দাম।
সরবরাহ কমের অজুহাতে বেড়েছে মাছের দামও। কেবল সবজির বাজেরই রয়েছে কিছুটা স্বস্তি।
ঈদের ছুটির পর, প্রথম শুক্রবারের বাজার। ক্রেতা সমাগম অন্য সময়ের তুলনায় কিছুটা কম। কিন্তু পণ্য সরবরাহে কোন কমতি নেই। দামেও নেই কমতি। রোজায় পণ্যর দাম বাড়তে বাড়তে যে জায়গায় স্থির হয়েছিল, ঈদের পর দাম চড়ছে সেখান থেকেই।
এরইমধ্যে আবার প্রতি কেজি চিনিতে দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা। রোজায় চিনি বিক্রি হতে ৬৩ থেকে ৬৫ টাকা কেজি, আর এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৭৩ থেকে ৭৫ টাকায়।
তবে কিছুটা স্বস্তি আছে সবজির বাজারে। আমদানি করা টমেটো ও বেগুনের দাম কিছুটা বাড়লেও, চাহিদা কম থাকায় কমেছে বেশিরভাগ সবজির দাম।
সবজি বাজারের স্বস্তি মিইয়ে যাচ্ছে, মাছের বাজারে এসে। প্রকারভেদে প্রতি কেজি মাছের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতাদের অজুহাত সরবরাহ কম।
মাংসের বাজারেও নেই স্বস্তি। রোজার পরে, দাম কিছুটা কমার প্রত্যাশা থাকলেও, এখনো প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকা কেজিতে।