রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচের এক লাখ কোটি টাকার মধ্যে বাংলাদেশকে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা (১১.৪ বিলিয়ন ডলার) ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া। আগামী ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নির্মিত হবে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি।
মঙ্গলবার রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে’তে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করা হয়।
অর্ধবার্ষিক হিসেবে ২০ বছরে এ ঋণ শোধ করবে বাংলাদেশ। আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাস থেকে ঋণ শোধের কিস্তি শুরু হবে।
রূপপুর পরমাণু কেন্দ্রে স্থাপিত হতে যাওয়া ২টি রি-অ্যাক্টরের প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
প্রথম রি-অ্যাক্টরটি আগামী ২০২২ সাল থেকে উৎপাদনে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরের বছর চালু হবে দ্বিতীয় রি-অ্যাক্টরটি। প্রতিটি রি-অ্যাক্টরের মেয়াদ হবে ৬০ বছর।
তবে পরবর্তীতে এর মেয়াদ ২০ বছর বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি) এবং রাশিয়ার রোসাতম এ ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষর করে।
ওই সময় বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্র কামরুল ইসলাম ভুইয়া রয়টার্সকে বলে ছিলেন, রূপপুরের ৯০% অর্থায়ন করবে রাশিয়া। উৎপাদনে যাওয়ার প্রথম বছর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির তত্ত্বাবধানে থাকবেন রোসাতমের প্রকৌশলীরা।
তবে পরের বছর থেকে এর দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ।