অপরিকল্পিত ব্যয়ের বোঝা জনগণের ওপর চাপাতেই রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস-সিএনজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার-এ মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ফের সিএনজির মূল্য বাড়ানো হলে জনভোগান্তি বাড়বে প্রভাব পড়বে নিত্যপণ্যের ওপর সেই সঙ্গে পরিবহন খাতে দেখা দিবে বিশৃঙ্খলা- এ আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।
আর এভাবে ধারাবাহিকভাবে সিএনজির মূল্য বাড়ালে সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন বলেই মন্তব্য করেন সিএনজি স্টেশন মালিকরা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।
গত ৬ বছরে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস-সিএনজির মূল্য বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশের বেশি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সিএনজির মূল্য ২৬ শতাংশ বৃদ্ধিতে পরিবহন ভাড়া বেড়েছিল প্রায় দেড় গুণ। আর এ বছর মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে ৮৩ শতাংশ। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে জনভোগান্তিসহ নানা সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাসহ সিএনজি ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পরিবহন ভাড়াবৃদ্ধি ও সিএনজির মূল্যবৃদ্ধি থামাও- শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তারা বলেন, অযৌক্তিক ও অপরিকল্পিত ব্যয়ের ঘাটতি পূরণেই সরকার এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ এবং শিক্ষাবিদ মোবাশ্বের হোসেন ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ।
তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজি এবং রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস-সিএনজির মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।
গ্যাস অনুসন্ধানে সরকারের পরিকল্পিত কার্যক্রম নেই বলেও জানান অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ।
এভাবে পর্যায়ক্রমে সিএনজির মূল্যবৃদ্ধি হলে সিএনজি স্টেশনগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন বলে জানান সিএনজি স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
সিএনজির মূল্যবৃদ্ধি না করতে পরিবহন মালিকরাও জোর দাবি জানিয়েছেন।