প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ রপ্তানি শুরু করলো বাংলাদেশ—কার্ভোডিলল নামে উচ্চরক্তচাপের ওষুধ নিয়ে এ রপ্তানি যাত্রা শুরু করলো বেক্সিমকো ফার্মা। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
গুনগত মানের শর্তপূরণ করায় বেক্সিমকো ফার্মাকে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ বাজারে প্রবেশের সনদ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট। মধ্য আয়ের দেশের স্বপ্ন পুরণ এবং আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে, সরকারকে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার তাগিদও দিয়েছেন তিনি।
ইউরোপসহ বিশ্বের প্রায় ১০০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ। কিন্ত গুণগত মানের শর্ত পুরণ করে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ রপ্তানি এতোদিন বাংলাদেশের জন্য আরাধ্যই ছিল।
তবে বাংলাদেশের ওষুধের গুনগত মান ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে বেক্সিমকো ফার্মাকে সনদ প্রদান করে, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড এন্ড ড্রাগ এ্যাডমিনেস্ট্রশন।
এর অংশ হিসেবে উচ্চরক্তচাপের একটি ওষুধের মাধ্যমে দেশটিতে প্রথম রপ্তানি শুরু হলো।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকনরা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পরে এবং চিংড়ি খেয়ে আনন্দবোধ করে। এবার তারা জীবন রক্ষায় বাংলাদেশি ওষুধও সেবন করবে।
তবে দেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল বাংলাদেশের কথা বলেন মার্শা বার্নিকাট।
এ শিল্পের প্রসারে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বমানের সঙ্গে তাল মিলিয়েই বাংলাদেশে ওষুধ শিল্প গড়ে তলো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ: রপ্তানির সুযোগ আর্জন করে, বেক্সিমকো যে সুনাম কুরিয়েছে, দেশের বাজারেও তা ধরে রাখার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম।