আবারো অস্থির হয়ে পড়েছে দেশের নিত্যপণ্যের বাজার— দেড় মাসের ব্যবধানে চিনি-লবণের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। ক্রমাগতভাবে বেড়ে চলেছে চাল, ডাল,ভোজ্যতেল ও আদা রসুনের দাম।
এ জন্য দেশে বন্যা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দর বৃদ্ধির অজুহাত টানছেন ব্যবসায়ীরা আর এ দর বৃদ্ধির যাতাকলে হ্যা-পিত্যেশ সাধারণ মানুষের।
বাজারে নিত্য পণ্যের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। চাল, ডাল, লবণ-চিনি সব কিছুর সরবরাহই পর্যাপ্ত। কিন্তু গত প্রায় দেড় মাস যাবত এসব নিত্য পণ্যের লাগাম ধরে রাখা যাচ্ছে না।
এ যেমন এক মাস আগের, ২২ টাকা কেজির লবণ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকায়। ৪৫ টাকার চিনি ৭৫ টাকা। ৩৫ টাকার আদা ৬০ টাকা।
চালের দাম গত দুই সপ্তাহ ধরে অব্যাহতভাবে বেড়েই চলেছে। প্রকার ভেদে প্রতিকেজি চালে বেড়েছে ৩ থেকে ৭ টাকা। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, স্বল্প আয়ের মানুষের খাবার, মোটা চালের দাম।
চাহিদা-যোগানের পালাবদলে, দাম কমবে-বাড়বে; অর্থনীতির এই সূত্র খাটছে না রাজধানীর বাজার ব্যবস্থায়। কারণ, সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও, দাম বাড়ছে।
এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে নিম্ন আয়ের মানুষের উপর। কোনো রকমে খেয়ে পরে বেঁচে থাকার যুদ্ধে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন অনেকেই।
কী মাছ, কী মাংস, স্বস্তি নেই কোথাও। বিত্তবানরা কিনছেন, যাদের সাধ্য নেই, তারা চেয়ে চেয়ে দেখছেন।
বন্যায় ফসলের ক্ষেত নষ্ট হওয়ায়, টান পড়েছে সবজির সরবরাহেও। তাই দামও বাড়ছে লাফিয়ে।