রেহাই পাচ্ছেন না বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চু এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। ঋণ জালিয়াতিতে তাদের সম্পৃক্ত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ পেয়েছে অর্থমন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটি।
এ বিষয়ে দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদও অবহিত।
বেসিক ব্যাংকের প্রায় ২ হাজার ৩৭ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ৫৬টি মামলার তদন্ত করছে দুদক। এক বছরেরও বেশি সময় পার হলেও, কোনো মামলাতেই ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে আসামি করা হয়নি।
দুদকের নতুন চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে আবারও নড়েচড়ে বসেছে অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
খুব শিগগিরই ঋণ জালিয়াতিতে আবদুল হাই বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ দুদকের কাছে উপস্থাপন করা হবে বলেই জানিয়েছেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক।
তিনি আরো বলেন, ঋণ জালিয়াতিতে বাচ্চু এবং তার পর্ষদের জড়িত থাকার সব তথ্যপ্রমাণও পাওয়া গেছে।
যদিও ঋণ জালিয়াতির মুল হোতা হিসেবে আবদুল হাই বাচ্চুর নাম এসেছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদনে।
বেসিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অনেক অসঙ্গতি থাকা সত্ত্বেও ২ হাজার ৩৭ কোটি টাকার ঋণ আবদুল হাই বাচ্চু প্রভাব খাটিয়ে পাশ করেছেন। অর্থ আত্মসাতে সব নিয়মনীতি ভঙ্গ করে চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সংশ্লিষ্টতার সুস্পস্ট প্রমাণ রয়েছে।
তাই বিষয়টি নিয়ে আবারো দুদকের সঙ্গে বসছে সংসদীয় কমিটি।
এতো তথ্যপ্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দুদক কেন আবদুল হাই বাচ্চুর বিরুদ্ধে একটি মামলা করার মতোও তথ্য পায়নি, তা রীতিমতো রহস্যজনকই মনে হয়েছে সংসদীয় কমিটির কাছে।