কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চাল, তেল, লবন, চিনিসহ বাড়তির দিকে নিত্যপণ্যের দাম। মসলার বাজারেও দেশি রসুনের দাম বেশ চড়া।
মধ্যবিত্তের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে কঠোরভাবে বাজার তদারকি করা দরকার ক্রেতাদের।
আর বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারদের থেকে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয় বলেই তাদের বেশি দামে পণ্য বিক্রি করতে হয়।
কোরবানির ঈদের আর অল্প কয়েকদিন বাকী। ঈদ উপলক্ষ্যে রাজধানীবাসী নিত্যপণ্য কেনাকাটা শুরু করেছেন। তবে বাজারে পণ্যের দাম পরিশোধ করতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
লবন কেজিতে কয়েক টাকা বেড়ে প্রতি কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সয়াবিন তেল লিটারে বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা। চালের দামও কেজি প্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে।
সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে রসুনের— প্রতি কেজি ৩০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, বাজার তদারকিতে আরো কড়াকড়ি হলে উৎসব মৌসুমে পণ্যের দাম লাগাম ছাড়া হতে পারতো না।
এদিকে, মসলার বাজারেও এলাচ, কাজু বাদামের দামও বাড়তির দিকে।
বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারদের কাছ থেকে বেশি দামে পণ্য কেনার জন্য তারাও বেশি দামে বিক্রি করছেন।