এবার দেশের পশুতেই হবে কোরবানির ঈদ তবে আগের চেয়ে বাড়তে পারে দাম। কোরবানির চাহিদা মেটানোর পরেও এবার খামারিদের কাছে গবাদি পশুর উদ্বৃত্ত থাকবে।
এমনটাই দাবি করে মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, তাই এ বছর ভারতীয় পশুর ওপর নির্ভরশীল হতে হবে না।
আর ব্যাপারিদের দাবি, খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায়, এবার গরু পালনে আগের চেয়ে ২৫% ব্যয় বেড়েছে।
তাই যতোই ঈদ এগিয়ে আসছে, বাড়ছে রাজধানীর স্থায়ী-অস্থায়ী হাটে কোরবানীর পশুর সরবরাহ। এছাড়াও দেশি গরুর পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয়, নেপালী এবং ভুটানি গরু। রয়েছে ভারতীয় উটও।
মৎস ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, গতবারের চেয়ে এবার কোরবানির পশুর চাহিদা বেড়েছে ৫%। সে হিসেবে গত বার ৯৬ লাখের জায়গায় এবার সারাদেশে কোরবানি হবে ১ কোটিরও বেশি।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গরু-মহিষ এবং ছাগল-ভেড়া মিলিয়ে দেশে কোরবানি যোগ্য পশু আছে ১ কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার। এর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ৪৪ লাখ। ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ৭০ লাখ ৫০ হাজার।
প্রতিমন্ত্রীর দাবি, এবার দেশের চাহিদা মিটিয়েও পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
তবে ব্যাপারিদের মুজিবুর রহমান দাবি, সরকারের হিসেবের সঙ্গে বাস্তবের হিসেব খুব একটা মেলে না। তাদের মতে, চাহিদার তুলনায় ঘাটতিও আছে কোরবানীর পশুর; আবার ভারত থেকে পশু আমদানিও হচ্ছে।
কোরবানিকে সামনে রেখে যারা গরু-মহিষ লালন-পালন করেছেন, তারা উৎকন্ঠায় আছেন নায্য দাম নিয়ে।
তাদের মতে, গত এক বছরে পশু খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। যা যোগ হবে পশুর দামের সঙ্গেই।
মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর সারাদেশে গরু ও মহিষের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৫ লাখ।