ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় সাপ্তাহিক ছুটির শুক্রবার হলেও রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেনি।
সারাদেশ থেকে হাটে পশু আসা অব্যাহত রয়েছে। তবে ব্যাপারীরা পশুর দাম বেশি চাচ্ছেন বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। আর পশুর পেছনে খরচ বেশি পড়ায় তাদের বাধ্য হয়ে বেশি দাম চাইতে হচ্ছে বরে জানান ব্যাপারীরা।
এদিকে, পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব মাঠের হাটে এখনো আসেনি মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের সাদা গরু।
রাজধানীতে কোরবানির পশু হাটগুলোতে সারাদেশ থেকে পশু আসা অব্যাহত রয়েছে। ট্রলার, ট্রাকে করে ব্যাপারীরা হাটে পশু নিয়ে আসছেন।
এখন পর্যন্ত ভারতীয় পশু আসা বন্ধ থাকায় এবার হাটগুলোতে দেশীয় পশুর সরবরাহ বেশি।
কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, পাবনা, মাদারীপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাটে পশু নিয়ে এসেছেন তারা।
তাদেরই একজন মাদারীপুরের আক্কাস মাঝি। ধোলাইখাল বালুর মাঠ হাটে ৪০টি পশু নিয়ে এসে এ পর্যন্ত একটিও বিক্রি করতে পারেননি তিনি।
হাটে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় সারাদিন পশু নিয়ে অলস সময় পার করেছেন ব্যাপারীরা।
আর দু চারজন ক্রেতা হাটে আসলেও পশুর দর দাম যাচাই শেষে অভিযোগ করছেন, গতবারের চেয়ে এবার দাম অনেক বেশি।
ক্রেতাদের এ অভিযোগ মানতে নারাজ ব্যাপারীরা। তাদের দাবি পশু খাদের দাম বেশি বলেই কোরবানির পশুর পেছনে তাদের অনেক খরচ করতে হয়েছে।
এদিকে, মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের সাদা গরু এখনো আসেনি পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ মাঠে। হাট কর্তৃপক্ষ বলছেন ঈদের আগের দিন এই হাটে আসবে মিরকাদিমের গরু।