জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা কমানোর পরিকল্পনা করছে সরকার— যানবাহনে গ্যাসের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতেই পেট্রোল ও অকটেনের দাম এ দফায় বেশি কমানো হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
শুক্রবার সকালে রাজধানীতে নটর ডেম কলেজের বিজনেস ফেস্ট উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
জনগণ যেন জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর সুফল পায়— এ জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, এ সপ্তাহেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে ইউনেস্কোর উদ্বেগের জবাব দেয়া হবে।
তেলের দাম কমার সুফল যেন জনগণ পায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এছাড়াও খুব শিগগিরই রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে ইউনেস্কো এবং জাতিসংঘের উদ্বেগের জবাব দেয়া হবে— উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনোভাবেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ বন্ধ বা স্থগিত করার পরিকল্পনা সরকারের নেই।
এদিকে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম কমার সুবাদে, গত এপ্রিলে দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছিল সরকার। সে সময় ডিজেল ও কেরোসিনে লিটার প্রতি ৩ টাকা এবং পেট্রোল ও অকটেনে ১০ টাকা করে দাম কমানো হয়েছিল।
সে হিসেবে ডিজেল ও কেরোসিনের বর্তমান দাম ৬৫ টাকা লিটার এবং পেট্রোল ও অকটেনের দাম যথাক্রমে ৮৬ ও ৮৯ টাকা লিটার।
প্রথম ধাপে সরকার ঘোষণা দিয়েছিল যে দাম কমার সুফল জনগণ পেলে আরো ২ দফা দাম কমানো হবে।
তবে প্রতিমন্ত্রীর দাবি, প্রথম দফা দাম কমার সুফল গিয়েছে ব্যবসায়ীদের পকেটে, জনগণ কোনো সুবিধা পায়নি।
এবার যানবাহনে গ্যাসের পরিবর্তে পেট্রোল ও অকটেনের ব্যবহার নিশ্চিত করতে, আরও এক দফা দাম কমানোর চিন্তা করছে সরকার।