বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শুক্রবার অবকাঠামো, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং ক্রীড়া খাতসহ ১৩টি প্রকল্পের জন্য ১,৩৬০ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে নগরীর একটি হোটেলে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং চায়না কাউন্সিল ফর দি প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি)-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-চীন বিজনেস ফোরামে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর শেষে এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, সমগ্র চুক্তির মধ্যে ১১টি স্বাক্ষরিত হয়েছে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে। বাকি চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে।
এ সময় চায়না চেম্বার অব ইন্টান্যাশনাল কমার্সের উপ-মহাপরিচালক সাম জিয়াও বলেন, চীনের পক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো। বাকি চুক্তিগুলো স্বাক্ষর করেছে বেসরকারি ফার্মসমূহ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে চীনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আখ্যায়িত করে সিসিপিআইটির ভাইস চেয়ারম্যান চেন ঝু বলেন, এ দেশের সঙ্গে আমাদের ৪৬ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।
আর চট্টগ্রামে বিশেস অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এসইজেড) চীনকে ভূমি বরাদ্দ দেয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ অঞ্চলে চীনের আরো বিনিয়োগে বাংলাদেশ লাভবান হবে।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, চীন, ভারত ও মিয়ানমার (বিসিআইএম) ইকোনমিক করিডোর প্রতিষ্ঠিত হলে দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ভবিষ্যতে আরো ভালো হবে। বিসিআইএম দেশসমূহের মধ্যে উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির জন্য এ করিডোর একটি প্রাথমিক উদ্যোগ।
জুলাই-আগস্ট সময়ের উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, বিগত বছরের চেয়ে এ বছরে চীনে রপ্তানি ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।
আগামী ২/৩ বছরের মধ্যে চীনে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়ে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। (সূত্র বাসস)