দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সমস্যাগুলো অনেকক্ষেত্রেই অভিন্ন। তবে উত্তরণে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পারিক সহযোগিতার ক্ষেত্র অত্যন্ত সীমিত। এ অঞ্চলকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমূক্ত এবং শান্তিপূর্ণ করে তুলতে তাই আঞ্চলিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
দু'দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনের শেষদিনে আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে।
রাজনৈতিক সদিচ্ছা, পারস্পারিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারিত করতে পারে তাই এবিষয়ে এ অঞ্চলের রাজনীতিবীদদের আরো সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক-সামাজিক অবস্থা এবং পারস্পারিক সহযোহিতার ক্ষেত্র নিয়ে দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলনে মোট ১৪টি আলাদা আলাদা সেশনে মুক্ত আলোচনা হয়।
বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের কণ্ঠে উঠে আসে এ অঞ্চলের দেশগুলোর সমস্যার প্রকৃতি প্রায় একই রকম তবে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র একেবারেই সীমিত।
ইউরোপ-আমেরিকার আঞ্চলিক জোটগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের ৮০ শতাংশেরও ওপরে নিজেদের মধ্যেই হয় সেখানে দক্ষিণ এশিয়ায় এই পরিমাণ মাত্র সাড়ে ৫ শতাংশ।
সম্মেলনের শেষ পর্বে তাই এ সমস্যার সমাধানে ঘুরে ফিরেই আসে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কথা। ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সুখি-সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়তে ৫ দফা প্রস্তবনাও দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে, স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরে বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে চায়।