এবার আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন আয়োজনে খরচ হচ্ছে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ বাজেট ধরেই বিভিন্ন উপকমিটির মাধ্যমে এগিয়ে চলেছে সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার কাজ। সম্মেলনকে ঘিরে অভূতপূর্ব সাজ সাজ রব ও বহুবিধ আয়োজনের ব্যাপকতায় এর মধ্যেই আলোচনা উঠেছে কীভাবে এত টাকা যোগাড় ও খরচ হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় এ অর্থের সংস্থান করা হয়েছে। অবৈধভাবে অর্থ সংস্থান ও খরচের কোনো সুযোগ নেই।
আর সম্মেলনের ব্যয় নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার বিএনপির নেই বলেও মন্তব্য করেন তারা।
আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কাউন্সিলর ও বিদেশী অতিথিসহ সারাদেশের লক্ষাধিক নেতাকর্মী। এরমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার নেতাকর্মীর দুই দিনের খাবারের আয়োজনের পাশাপাশি থাকছে নানান আয়োজন।
এরইমধ্যে ২৫ হাজার নেতাকর্মীর বসার ব্যবস্থা রেখে গোটা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।
বিশাল কলেবরে এ আয়োজনের খরচকে কেন্দ্র করে বর্তমানে আলোচনার পাশাপাশি চলছে সমালোচনাও। এরইমধ্যে বিএনপি অভিযোগ করেছে, লুটপাটের অর্থ দিয়েই সম্মেলনের আয়োজন করছে আওয়ামী লীগ।
তবে চাঁদাবাজী বা কোনো ধরণের দূর্নীতির টাকায় নয়, দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় নিজস্ব তহবিল থেকেই সম্মেলন করা হচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ।
মঞ্চ সজ্জা, নেতাকর্মীদের খাবারের আয়োজন ও বিদেশী অতিথিদের জন্য বরাদ্দসহ এবারের সম্মেলনে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সম্মেলনের ব্যয় নিয়ে বিএনপির নেতিবাচক মন্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের আরেক নেতা নূহ উল আলম লেনিন বলেন, সম্মেলনে কোথায় কি পরিমাণে ব্যয় করা হবে তা দলের নিজস্ব বিষয়।
জামাত ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবারের সম্মেলনে। এটি জাকজমকপূর্ণ পরিবেশে সফলভাবে শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগ নেতারা।