রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ট্রাম্পের কথা এবং কাজ একই হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি মন্দা নেমে আসতে পারে বলেও আশংকা তাদের।
তারা মনে করছেন আইএস, চীন, রাশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং ন্যাটো ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তন হতে পারে।
কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেও বিশ্লেষণ তাদের।
অনেকে মনে করছেন, বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্প বর্তমান অবস্থানে অনড় থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারে বাংলাদেশ। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য আরও সংকুচিত হওয়ার আশংকা তাদের। সার্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্টকে একটি অভাবিত বিষয় হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।
বুধবার দেশ টিভির সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. দেলোয়ার হোসেন, বিআইভিএসের ডিজি ড. কেএএস মুরশীদ ও বিজের চেয়ারম্যান মুন্সী ফয়েজ আহমেদ।
নির্বাচনী প্রচারণায় বিশ্বায়নের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পস্ট করেই তুলে ধরেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিশেষ করে, আঞ্চলিক জোট নাপটা, ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি চীন- রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের নীতির সমালোচনাও ছিল ট্রাম্পের প্রচারণায়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে কাজের মিল ঘটলে বিশ্ব রাজনীতিতে তৈরি হতে পারে নতুন সমীকরণ।
তারা বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের খুব বেশি মাথা ব্যথা থাকবে না তাই সরকার বদল হলেও যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিদ্যমান কৌশলগত সম্পর্কই অটুট থাকবে।
তবে আঘাত আসতে পারে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে।
তাদের মতে, ট্রাম্পের নীতি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি আরও অনিশ্চয়তায় পড়বে। উল্টো সেখানে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশাধিকার আরো কঠিন হওয়ার আশংকাও করছেন অনেকে।
ট্রাম্পের কথা এবং কাজ একই হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি মন্দা নেমে আসতে পারে বলেও আশংকা বিশ্লেষকদের।