যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি আরো ঝুলে গেল। সেইসঙ্গে আরো অনিশ্চিত হয়ে পড়লো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় দেশটিতে শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাওয়ার বিষয়টিও।
যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম তার নির্বাচনী প্রচারণায়, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট নাফটা থেকে সরে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। টিপিপি'র বিরুদ্ধেও তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।
এছাড়াও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশকে যেসব শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিচ্ছে তারও বিরোধী যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।
স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতির আলোকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক মুক্ত সুবিধা দাবি করে আসছিল বাংলাদেশ।
ট্রাম্পের নীতিগত অবস্থান বিষয়টিকে আরো কঠিন করে তুলবে উল্লেখ করে বিশ্লেষকরা বলেন, ট্রাম্পের এ নীতির প্রভাব পড়বে বাংলাদেশেও। বিশেষ করে স্থগিত হয়ে যাওয়া জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার যে আশা ছিল তাও আরো প্রলম্বিত হবে।
তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার রাজনৈতিক বক্তব্য এবং বাস্তবতা এক নাও হতে পারে এ প্রতাশা করে ব্যবসায়ী নেতারা বলে, ব্যবসায়ী থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া ট্রাম্প, ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্বার আরও উন্মুক্ত করবেন।
ব্যবসায়ীদের যুক্তি, ট্রাম্পের রাজনীতির মাঠের বক্তব্য এবং বাস্তবতা এক হবেনা। যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিজেও একজন ব্যবসায়ী।
তাই তার কাছ থেকে ব্যবসা বান্ধব নীতিই আশা করছেন বাংলাদেশের ব্যবসবায়ীরা। তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক বক্তব্য এবং কাজ এক হলে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বাজার সংকুচিত হয়ে আসবে বলেও মনে করেন তারা।