অর্থনীতি

আরেক দফা জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে: অর্থমন্ত্রী

আবুল মাল আবদুল মুহিত
আবুল মাল আবদুল মুহিত

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো গতিশীল করতে সরকার আরেক দফা জ্বালানি তেলে দাম কমানোর কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

মন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের আগেই এটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তেলের দাম কমলে বিদ্যুতের দাম যেন না বাড়ে সেজন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানাবেন বলেও জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের প্রধানের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক প্রতিনিধি দল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতকালে দেশের চলমান অর্থনৈতিক গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে আইএমএফ মিশনের নতুন প্রধান ব্রায়ান এইটকেনসহ আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, আইএমএফ মিশনের নতুন প্রধানের সঙ্গে একটি পরিচয় পর্ব হলো। আইএমএফের সঙ্গে মূলত আলোচনা হবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে।

আইএমএফের নতুন কোনো কর্মসূচিতে বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘না, তার কোনো সুযোগ নেই, কারণ আমাদের ব্যালান্স অব পেমেন্ট এখন অনেক বেশি।’

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অর্থনৈতিক ধারাকে আরো বেগবান করতে নতুন নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার এজন্য আগামী মাসে জ্বালানি তেলের দাম কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ মন্ত্রণালয় নিচ্ছে।

এ সময় বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তান টাকা পাবে কি না— বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এই ব্যাপারে মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই।

তিনি আরো বলেন, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে যখনই আলোচনা হয় তখন আমাদের ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানকে আমরা আগেই বলেছি, সব দেয়ার সামর্থ্য তোমাদের নেই— বাংলাদেশ এখন তাদের চেয়ে অনেক ভালো আছে। বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের তুলনা করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের ৯২১ কোটি পাকিস্তানি রুপি (৬৯২ কোটি বাংলাদেশি টাকা) পাওনা রয়েছে এবং পাকিস্তান তা ফেরত চায় বলে পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাত্তরের আগে পূর্ব পাকিস্তানের কাছে পশ্চিম পাকিস্তানের যে অর্থ পাওনা ছিল, তা বর্তমানে ৭০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অ্যাসেট ভ্যালুয়েশনের মাধ্যমে প্রকৃত পাওনা নিরূপণ করা হয়েছে। অ্যাসেট ভ্যালুয়েশন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে চলতি বাজারে সম্পদের মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ইবিএইউবি-এ পালিত হলো ‘শেখ রাসেল দিবস’

আবার দাম কমেছে স্বর্ণের

জুয়েলারি পণ্য অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে: এফবিসিসিআই সভাপতি

গার্মেন্টস শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ, আইজি ও আয়াত এডুকেশন

‘চায়না-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহজীকরণ’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ