আশুলিয়ায় বন্ধ হয়ে যাওয়া পোশাক কারখানার ৫৫টি সোমবার থেকে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প–মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
রোববার দুপুর একটায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিজিএমইএ সভাপতি ও পরিচালকরা।
জানা গেছে, গত ১১ ডিসেম্বর থেকে আশুলিয়া এলাকায় সৃষ্ট শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে ২০ ডিসেম্বর ৫৫টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় মালিকপক্ষ। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে প্রতিদিন গড়ে ৮০ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয় মালিকপক্ষ। ওই হিসাবে গত ১৫ দিনে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এ শিল্পে। শিল্প ও শ্রমিকের স্বার্থের দিকে খেয়াল রেখেই ২৬ ডিসেম্বর সোমবার থেকে কারখানা খুলে দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালিকপক্ষ।
মজুরি বৃদ্ধি, শ্রমিক ছাটাই না করা, বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি না করাসহ বেশ কিছু দাবিতে ১১ ডিসেম্বর থেকে উত্তপ্ত হয়ে উঠে আশুলিয়ার পোশাক শিল্প এলাকা। ২০ ডিসেম্বর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে বিজিএমইএ ৫৫টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়। পরে আরো কিছু পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এদিকে সকালে দাবি-দাওয়া পূরণ করে আশুলিয়ায় বন্ধ পোশাক কারখানগুলো দ্রুত খোলার দাবি জানিয়েছে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে কেন্দ্রের নেতারা এ দাবি জানান।
পোশাক শ্রমিকদের মূল মজুরি দশ হাজার টাকা ও মোট মজুরি ১৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করার দাবি জানান তারা।
একই সঙ্গে আশুলিয়ায় গ্রেপ্তার শ্রমিকদের মুক্তিও দাবি করেন নেতারা। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ছাটাই-দমন পীড়ন বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার যুক্তিযুক্ত সমাধান করারও আহ্বান জানান তারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।