গ্রামীণ ব্যাংককে নতুন ভূমিকায় দেখতে চায় সরকার—এ কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, গ্রামীণ ব্যাংককে পুনরুজ্জীবিত করে ব্যাংকিং সিস্টেমের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা হবে।
আশির দশকে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মেয়াদ উর্ত্তীণের কারণ দেখিয়ে ২০১১ সালে তাকে ওই পদ থেকে অপসারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। অপসারণের পরেও ইউনূসের কারণে গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছিলো না বলে অভিযোগ করে আসছিলেন অর্থমন্ত্রী।
মুহাম্মদ ইউনূসের ‘প্রতিবন্ধকতা’ পেরিয়ে গ্রামীণ ব্যাংককে নতুন ভূমিকায় পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ শুরু হয়েছে জানান অর্থমন্ত্রী।
রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ডিভিশনের পক্ষ থেকে নববর্ষের শুভেচ্ছার পর সাংবাদিকের এ কথা বলেন তিনি।
মুহিত বলেন, ইউনূস সাহেবের বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতামূলক কাজকর্ম থাকা সত্ত্বেও আমরা গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে ভাবছি। উই শুড রিভাইভ ইট। আই হ্যা ভ অলরেডি কমিশনড সার্টেন পিপল টু লুক ইনটু দিস ইস্যু যে, কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য একটা নিউ রোল সৃষ্টি করা যায়।
তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামসুল বারী বেশ রিলাকটেন্ট ছিলেন এই ব্যাপারে। কিন্তু হি হ্যাজ এক্সেপ্টেড দিস চ্যালেঞ্জ। তিনি সেটা গ্রহণ করেছেন। এটা নিয়ে কাজও করছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বহুদিন এ সম্পর্কে কোনো কিছু করি নাই এখন ঠিক করেছি, না এটাকে এভাবে ছেড়ে দেয়া যায় না এটাকে এখন মানুষ করা দরকার।
এখন যেটা ডিফল্ট (ঋণ খেলাপি) হয়, সেটা প্রায় ১০ শতাংশ বা তারও কম। ৮২ সালে আমি যখন প্রথম মন্ত্রী হই, তখন এটা ৪০ শতাংশের বেশি ছিল। যে জায়গায় এখন এটা ৮-৯-১০ শতাংশ হয়। আরও কমানো উচিৎ। মুহিত বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের দুটি উদ্দেশ্য ছিল, ক্রেডিট ইজ দ্য রাইট অব দি পুওরেস্ট, হেবিট অব পেমেন্টকে রেগুলারাইজ করতে হবে। এই দুটাই ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত।
তিনি আরো বলেন, দেশে এখন গ্রামীণ ব্যাংকের মতো বহু কর্মসূচি রয়েছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প আছে এটার অগ্রদূত হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক, একে এখন রেলেভেন্ট করতে হবে এটাকে রেলেভেন্ট করার ইচ্ছা আমাদের।