ব্যাপক রদবদল হয়েছে ইসমালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে— সরকারের ইচ্ছায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বৃহম্পতিবার রাজধানীতে পর্ষদ সভায় শান্তিপুর্ন উপায়ে এসব পরিবর্তন আনা হয়।
এতদিন চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা, মোস্তফা আনোয়ারকে সরিয়ে সাবেক সচিব আরাস্ত খানকে চেয়ারম্যান এবং মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের যায়গায়, আবদুল হামিদ মিঞাকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ পরিবর্তনকে সাধুবাদ জানিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি এবং সাবেক ব্যাংকার। তবে জামাতের প্রভাবমুক্ত করতে, ব্যাংককের সব পর্যায়ে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে জামাত নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক হিসেবেই পরিচিত ছিল, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাসি কার্যকর হওয়া মীর কাসিম আলী ছিলেন ব্যাংকটির অন্যতম উদ্যোক্তা। আপস.
জামাত নিয়ন্ত্রিত আরেক প্রতিষ্ঠান আরেক প্রতিষ্ঠান ইবনে সিনা ট্রাস্টের প্রতিনিধি হিসেবে এতদিন ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন, মোস্তফা আনোয়ার।
আর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন, মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।
ব্যাংকটিকে জামাতি প্রতিষ্ঠান পরিচয় থেকে বেড় করতে এর মালিকানা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় ধাপে ধাপে পরিবর্তন আসছিল। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার পর্ষদের সভায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাহী ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে পর্ষদ, সাবেক সচিব আরাস্তু খানকে অনুমোদন দিয়েছে। ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল হামিদ মিয়াকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সৈয়দ আহসানুল আলমকে ভাইস চেয়ারম্যান এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আবদুল মজিদকে নির্বাহী কমটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
তবে উচ্চ পর্যায়ে এসব পরিবর্তন ব্যাংকটিকে জামাতের প্রভাব মুক্ত করতে যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
পরিচালনা পর্ষদে ব্যাপক রদবদলের পরও, ইসলামী ব্যাংকের কোনো ক্ষতি হবে না বলেই মনে করছেন তারা।