ব্রেক্সিট নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই তবে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে আর তা মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সব সময় প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। রোববার সকালে রাজধানীতে ব্রেক্সিটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তারা এ কথা বলেন।
এছাড়া রপ্তানি সুবিধা ও অভিবাসন ইস্যুতে দরকষাকষী জোরদার করার পরামর্শও দেন বিশ্লেষকরা।
শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় ইউরোপিয় ইউনিয়নে (ইইউ) গত অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ১৫০০ কোটি ডলার। এর ২০% ছিল যুক্তরাজ্যের বাজারে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসীর বসবাসও রয়েছে সেখানে।
ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের আলাদা হয়ে যাওয়ার পরও বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে কি-না?— দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি তাদের নমনীয়তা থাকবে কি-না, এমন নানা বিষয় উঠে এলো আলোচনায়।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, বিষয়গুলো নিয়ে ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্য কী সিদ্ধান্ত নেবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে বাংলাদেশ নীতিতে খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।
এ সময় সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, শঙ্কা বা সম্ভাবনা— সবই এখনো অনুমান নির্ভর।
আর পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব সময় বাংলাদেশকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. মো. ফরাসউদ্দিন।
আবার অনেকের ধারণা, ব্রেক্সিটের ফলে কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশ লাভবানও হতে পারে।