জানুয়ারি-জুন মেয়াদেও উৎপাদন সহায়ক সতর্ক মুদ্রানীতি রোববার ঘোষণা করা হয়েছে।
অর্থবছরের প্রথমভাগের মতোই দ্বিতীয়ার্ধেও বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এতে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত হওয়ার ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.৮ শতাংশ। পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক উল্লম্ফন নিয়ে সতর্কবার্তাও দেয়া হয়েছে এই মুদ্রানীতিতে।
সকালে রাজধানীতে গভর্নর ফজলে কবীর জানুয়ারি থেকে জুন মেয়াদের জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, আমরা অর্থবর্ষের প্রথমার্ধের উৎপাদন সহায়ক সতর্ক নীতির ভঙ্গিটি অপরিবর্তিত রেখেছি।
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের অর্থাৎ আগামী জুন পর্যন্ত দেশের অর্থ সরবরাহ ব্যবস্থাপনা কেমন হবে তা নিয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগের ৬ মাসের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিরই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা হয়েছে এ মুদ্রানীতিতে।
ঘোষিত মুদ্রানীতিতে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ আগের মতই সাড়ে ১৬ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ৭.২ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি ৫.৮ শতাংশের মধ্যে রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
গভর্নরের দাবি, এসব ব্যবস্থার ফলে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে সৃষ্ট হবে ব্যপক কর্মসংস্থান।
দেশের পুঁজিবাজারের সুস্থতার স্বার্থে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে তৎপর থাকারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে মুদ্রানীতিতে।
ব্যাংকগুলো যাতে পুঁজিবাজারে মাত্রাতিরিক্ত বিনিয়োগ না করতে পারে সেবিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সজাগ দৃষ্টি রেখেছে বলেও দাবি করেন গভর্নর।