ইউরো'র দরপতন, ব্রেক্সিট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের কারণে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক পণ্যের দরপতন হয়েছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় পোশাকশিল্পের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে একটি করে শিল্প জোন প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি বলেন, গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরে সময়ে পোশাক রপ্তানি কমেছে নয় শতাংশের বেশি। আর গত দুই বছরে গ্যাস সংকটসহ নানা কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।
সম্প্রতি পোশাক শিল্পে অস্থিরতা, মুদ্রানীতি ঘোষণা ও ইউরোর দরপতনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সংবাদ সম্মেলন করে। এসময় তারা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা ব্রেক্সিট প্রভাব ও পাউন্ডের দরপতনের কথা উল্লেখ করেন।
সাম্প্রতিক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মুদ্রানীতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো দিক নির্দেশনা নেই বলে জানায় সংগঠনটি।
আগামী ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার লক্ষ্যমাত্রা আর্জন করতে হলে প্রতিবছর ১২ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। কিন্তু গ্যাস বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা কারণে এ খাতে গত দুই বছরে উৎপাদন বেড়েছে ১৭ শতাংশ।
সম্প্রতি পোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে সংগঠনটি বলছে, শ্রমিকরা আইন লঙ্ঘন করেই কর্মবিরতি পালন করেছে আর নিয়ম মেনেই তাদের বেতন-ভাতা বাড়ানো হবে।
আর বিদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে টাকা দেশে না আনার অভিযোগ তুলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের নিয়ে যে অনাকাংখিত মন্তব্য করেছেন তার সমালোচনাও করেন তিনি।