খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো দিক নির্দেশনা না থাকায় মুদ্রানীতি নিয়ে হতাশ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন-এফবিসিসিআই।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ হতাশা ব্যক্ত করে। এ মুদ্রানীতি বিনিয়োগ বান্ধব হয়নি বলেও দাবি তাদের।
পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে ভারত অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করায় এ শিল্পের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
ভারতের এ ধরনের আচরণ, বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেছেন এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমেদ।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে, প্রবৃদ্ধি অর্জনের সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে অর্থের প্রবাহ নিশ্চিত করা— এ লক্ষ্য নিয়ে গত রোববার চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআই এর দাবি, মুদ্রানীতি বিনিয়োগ বান্ধব হয়নি— কারণ এখানে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধির টার্গেট আগের চেয়ে বাড়ানো হয়নি।
তবে এফবিসিসিআই সবচেয়ে বেশি হতাশা ব্যক্ত করেছে, খেলাপি ঋণ এবং অর্থপাচার নিয়ে।
তাদের দাবি, এ দুটি গুরত্বপূর্ণ বিষয়ে মুদ্রানীতিতে কোনো দিক নির্দেশনা দেয়া হয়নি।
পাটজাত পণ্য রপ্তানির ওপর ভারত যে অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এফবিসিসিআই।
সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, ভারতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৩ ভাগের এক ভাগই পাটজাত পণ্য। কিন্তু এ পণ্য রপ্তানির ওপর সম্প্রতি দেশটি প্রতি টনে সাড়ে ৩০০ ডলার পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। যা দেশের পাট শিল্পকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে আশংকা ব্যক্ত করেন তারা।
মূল্য সংযোজন কর-মূসক নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি বলেও অভিযোগ করেন সংবাদ সম্মেলনে মাতলুব।