আমদানিকৃত এলএনজি গ্যাসে আস্থা রাখতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা—তাদের দাবি বেশি দামের কারণে এটির ওপর নির্ভর করে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবুল কাশেম।
এ সংকট থেকে উত্তরণে সমুদ্রবক্ষে গ্যাস অনুসন্ধান শুরুর তাগিদের পাশাপাশি অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ আরো বাড়ানোর প্রতি সরকারের দৃষ্টি করেছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা আর বিশ্ব প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয় ঢাকা চেম্বার আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে।
এতে বলা হয় বর্তমানে বিশ্ব প্রেক্ষাপটে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দুটি জায়গায় তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় আছে তা হলো সস্তা শ্রম ও পাইপলাইনে সস্তা গ্যাস। কিন্তু এলএনজি চালু হলে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম আড়াই ডলার থেকে ১০/১২ ডলারে উঠে যাবে। তখন অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে শংকায় ব্যবসায়ীরা।
ঢাকা চেম্বারের গবেষণা বলছে, যোগযোগ ও পরিবহন অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে, ভিয়েতনাম, চীন আর ভারতের মত দেশে ব্যবসা করার খরচ কমেছে ২০ শতাংশের মত। তাই গ্যাস অনুসন্ধানের পাশাপাশি যোগাযোগ অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারকে আহবান জানিয়েছেন তারা।
এই দুটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে দেশে বিনিয়োগ আর কর্মসংস্থান বাড়বে, অর্জিত হবে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা।