শেয়ার বিক্রি করে লাভ তুলে নিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। আপাতত পুঁজিবাজারে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় তারা তাই কমেছে গড় লেনদেন আর সূচক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মকানুনের ফেরে চাইলেও অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারছেন না।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, এখন দৈনিক লেনদেনের গড়ে ৮০ থেকে ৯০ ভাগই করছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। তবে এরমধ্যেও আশার কথা বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখনো শেয়ার কিনছেন।
দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর মাস তিনেক আগে ফের চাঙ্গাভাব দেখা দেয় দেশের পুঁজিবাজারে।
পুরোনো বিনিয়োগকারীদের ফেরার পাশাপাশি বাজারে এসেছিল প্রায় ৪৩ হাজার নতুন বিনিয়োগকারী। আর এতেই নতুন করে প্রাণ ফিরেছিল ব্রোকার হাউজগুলোতে।
মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে ডিএসইর সূচক বেড়েছিল প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট। আর দৈনিক গড় লেনদেন পার করেছিল ২ হাজার কোটি টাকার কোটা। কিন্তু এ অবস্থা বেশিদিন থাকেনি। লেনদেন কমতে কমতে নেমে এসেছে ৫'০০কোটি টাকার কোটায়। সূচকও যতোটুকু বাড়ছে কমছে তার চেয়ে বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়ায় পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সীমা নির্ধারিত ২৫ শতাংশের কোটা অতিক্রম করেছে।
তাই তারা শেয়ার বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। লেনদেন আবারও বাড়াতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে বলে অভিমত তাদের।
বিনিয়োগ পোর্টফলিওর তথ্য থেকে দেখা যায় বাজারে মোট বিনিয়োগের ৭ শতাংশের মালিকানা বিদেশিদের। বাজারে এ অবস্থায়ও তারা যতটুকু শেয়ার বিক্রি করছেন কিনছেন তার চেয়ে বেশি।