খেলাপি ঋণ ও গুটি কয়েক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণ পুঞ্জিভূত হওয়া নিয়েও উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার দুপুরে রাজধানীতে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এমসিসিআইয়ের বৈঠকে এ উদ্বেগের কথা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
সংকট উত্তরণে, ঋণ প্রদানে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করা, আবার সঠিকভাবে ঋণ নিয়েও পরিশোধ না করার সংস্কৃতি দিন দিন বাড়ছেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে এমন ঋণের পরিমাণ মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ। টাকার অংকে ৬৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আর সরকারি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এ খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরো বেশি। প্রায় ২৫ শতাংশ।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে এ পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সুদের হার কমাতে পারছে না এতে কিছু অসৎ ব্যক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণের ৪০ শতাংশই হাতে গোনা কয়েকজন ব্যবসায়ীর ভেতরই সীমাবদ্ধ। এ পরিস্থিতিও ব্যাংকিং খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে গভর্নর মনে করছেন।
এর আগে, স্বাগত বক্তব্যে ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দেন এমসিসিআই।