স্বল্পোন্নত থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হতে জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশের দাবি তুলে ধরা হবে। জানানো হবে উন্নয়শীল দেশে উন্নীত হওয়ার জন্য ২০১৮ সাল নাগাদ বাংলাদেশ জাতিসংঘের শর্তগুলো পূরণ করবে বাংলাদেশ।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, উন্নয়শীল দেশ হলে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে পাওয়া বাণিজ্য সুবিধা হারাতে হতে পারে। কিন্তু তাতে খুব লোকসান হবে না বলেই তারা মনে করেন।
বিকল্প উপায়েও এসব সুবিধা আদায় করা সম্ভব বলেই বিশ্বাস তাদের।
১৯৭৫ সাল থেকে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ এখন প্রস্তুত উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে। এজন্য জাতিসংঘের দেয়া তিনটি মাপকাঠিতে উতরে যেতে হবে।
প্রথমটি জাতীয় আয়, যেখানে এখনো বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে। তবে বাকি দুটো সূচক--অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এবং মানবউন্নয়নে এগিয়ে আছে।
স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যেসব বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করে আসছিল উন্নয়নশীল দেশ হলে ওইসব সুবিধা হারাতে হতে পারে ২০২৭ সালের পর থেকে। একদিক দিয়ে কিছু লোকসানের ঝুঁকি থাকলেও দেশের মর্যাদাকেই অগ্রাধিকার দেয়ার সুপারিশ বিশেষজ্ঞদের।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ শাখার প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ইব্রাহিম খালেদ একই পরামর্শ দেন।
তারা বলেন, যেসব বাণিজ্য সুবিধা হারানোর আশংকা করা হচ্ছে তা নাও হারাতে হতে পারে।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেড়িয়ে গিয়েও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখার অনেক নজীর আছে বলেও জানান তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উত্তরণ হবে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি মাইলফলক। এই মর্যাদার প্রশ্নে আপোষহীন থাকতেই সরকারকে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।