প্রস্তাবিত ভ্যাট ১৫% থেকে কমিয়ে ৭% নামিয়ে আনার দাবিতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাবেন ব্যবসায়ীরা। শনিবার দুপুরে রাজধানীতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাজট্রিজের বাজেট প্রস্তাবনা অনুষ্ঠানে তারা এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আগামী বাজেটের জন্য, ব্যক্তি শ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা করার প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি দেশে অনুকূল ব্যবসায় পরিবেশের স্বার্থে করপোরেট কর হার কমানো, এবং অবকাঠামোগত খাতে উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ আরো বাড়ানোর প্রস্তাব ডিসিসিআইয়ের। আগামী বাজেটে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে ব্যয়িত অর্থের কর রেয়াতের দাবিও তাদের।
আগামী বাজেটকে সামনে রেখে সব কিছু ছাপিয়ে, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ভ্যাট আইন ২০১২ এর বাস্তবায়ন। ডিসিসিআইয়ের বাজেট প্রস্তাবনায়ও, অধিকাংশ জায়গা জুড়েই ছিল, আইনটি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতপার্থক্যের বিষয়টি।
রাজস্ব বোর্ডের দাবি, নতুন আইনে ব্যবসা করার খরচ বাড়বে না। নিবিড়ভাবে এর প্রভাব বিশ্লেষণ না করলেও, ব্যবসায়ীরা বলছেন ব্যয় বাড়বে।
বর্তমান আইনে পুজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের করপরেট কর হার ২৫% থেকে কমিয়ে সাড়ে ২২% এবং অতালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য ৩৫% থেকে কমিয়ে ৩০% করার প্রস্তাবও দিয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংক এর করপোরেট কর হার কমানো, এবং কোম্পানির লভ্যাংশ আয়ের ওপর কর হার ২০% থেকে কমিয়ে ১৫% করার প্রস্তাবও করা হয়েছে।
দেশের মুল্যস্ফীতি এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যক্তি শ্রেনির করমুক্ত আয়সীমা ও বিনিয়োগে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবও ঢাকা চেম্বারের।
বাজেটে অবকাঠামো খাতে উন্নয়ন ব্যয় ৪১৩% বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছে ডিসিসিআই। পিপিপি প্রকল্প কার্যকর করতে, এর ব্যবস্থাপনা বোর্ডে বেসরকারি খাতকে অর্ন্তভুক্তির দাবিও এই ব্যবসায়ী সগঠনটির।
গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে কর রেয়াত প্রথা চালু, এবং যানযট কর চালুর মত নতুন কিছু প্রস্তাবও এসেছে ঢাকা চেম্বারের পক্ষ থেকে।