আসন্ন বাজেটের আকার হবে ৪ লাখ কোটি টাকারও বেশি। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, বরাবরের মত এ বাজেটও হবে উচ্চাভিলাষী, সম্প্রসারণশীল। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এ বাজেট মোটেও উচ্চাভিলাষী নয়। বরং জিডিপির অনুপাতে তা স্বাভাবিকের চেয়েও ছোট, কিন্তু বাস্তবায়ন সক্ষমতার তুলনায় অনেক বড়।
বাস্তবায়ন সক্ষমতা না বাড়িয়ে, বাজেটের আকার বাড়ানোকে অর্থহীন বলে মনে করছেন তারা। অপচয়, দুর্নীতি রোধে, বাস্তবায়ন সক্ষমতার সমান বাজেট দেয়ার পরামর্শও তাদের।
আগামী অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেটের আকার ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে, প্রায় ৩২ শতাংশ বেশি। এ বাজেটকে সরকার দেখছে উচ্চাভিলাষী হিসেবে।
অর্থনীতিবেদদের মতে, বর্তমান জিডিপির অনুপাতে বাজেটের আকার হওয়া উচিত ছিল প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা।
তবে বাস্তব চিত্র আরো নাজুক— জিডিপির তুলনায় ছোট বাজেট দিয়েও, বাস্তবায়ন করতে পারছে না সরকার। বাজেট বাস্তবায়নের গত ৫ বছরে চিত্র থেকে দেখা যায়, গেল অর্থবছরে আড়াই লাখ কোটি টাকার বাজেটের মাত্র ৭৮ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। তার আগের বছর ছিল ৮১ শতাংশ। এ সময়ে সর্বোচ্চ ৯৩ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছিল ২০১১-১২ অর্থবছরে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাস্তবায়ন সক্ষমতা না বাড়িয়ে, বাজেটের আকার বাড়িয়ে কোন লাভ নেই।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে, ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৫২ শতাংশ।