রমজান মাসের প্রায় এক মাস বাকি থাকলেও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রোজার প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে ইফতারের প্রধান পণ্য ছোলার দাম কিছুদিন ধরেই কয়েক দফায় বেড়েছে। বেড়েছে মুগডালসহ আরো কিছু পণ্যের দামও।
তবে আমদানিকারকরা আর্ন্তজাতিক বাজার ও ডলারের দাম বাড়ার দোহাই দিয়ে এই বর্ধিত মূল্যকে স্বাভাবিক বলে দাবি করছেন। এদিকে, চট্টগ্রামে পাইকারি ও খুচরা বাজারের মধ্যে মূল্যে রয়েছে বড় ধরনের ফারাক।
প্রায় ১০ দিন আগেও চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে অস্ট্রেলিয়ান ছোলার দাম ছিল কেজি প্রতি ৭০ থেকে ৭২ টাকা করে। এখন তারা সেটা বিক্রি করছে ৮২ থেকে ৮৫ টাকায়। তবে আমদানিকরকরা বলছেন- কয়েকদিনে ছোলার দাম কিছুটা বাড়লেও সেটা ৭২ থেকে সর্বোচ্চ ৭৮ টাকার মধ্যে বিক্রি করা সম্ভব।
বেড়েছে মুগডাল আর রসুনের দাম। পাইকারি বাজারে চিনি ও পেঁয়াজের দাম কমেছে। বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে ছোলা, মুগডাল, রসুন। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও অন্যান্য বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে তারাও দাম বাড়াতে বাধ্য হন।
এ নিয়ে বুধবার খাতুনগঞ্জে বৈঠক করেন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা। বৈঠক শেষে আমদানিকারকরা জানান, গত কয়েকদিনে ছোলার দামই কিছুটা বেড়েছে।
খাতুনগঞ্জসহ দেশের আরো কিছু বাজারে আমদানিকারকরা ছোলাসহ ভোগ্যপণ্যের বাজার তাদের সুবিধামতো নিয়ন্ত্রণ করেন- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বলা হয়, রোজাকে সামনে রেখে তারা সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দেন।
তবে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এদিকে, রোজায় নিত্যপণ্যের মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা সেটাই।