আগামী বাজেটে জনগণের ওপর চাপ বাড়বেই কারণ ১৫% ভ্যাট শেষ পর্যন্ত জনগণকেই দিতে হবে। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করে সরকার যে অতিরিক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে চাচ্ছে, তাও জনগণের পকেট থেকেই আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এতে করে মুল্যস্ফীতি বাড়ার পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়বে বলে বিশ্লেষণ তাদের। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দাবি, নতুন ভ্যাট আইনে রাজস্ব বোর্ডের আয় বাড়লেও ভোক্তাদের ব্যায় বাড়বে না।
দেশে প্রথমবারের মতো ভোজ্যতেলের ওপর ভ্যাট আরোপিত হতে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আইনের যে খসরা, তাতে আগামী ১ জুলাই থেকেই এ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যটির ওপর আগের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি অর্থগুনতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পণ্য ও সেবায় সব জায়গায় গড়ে ১৫ শতাংশ করে ভ্যাট আরোপের ফলে, এর প্রভাব পড়বে মানুষের জীবনযাত্রায়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসেবে, গড়ে ১৫% ভ্যাট আরোপ করা হলেও রেয়াতের সুযোগ থাকায়, ভোক্তার ওপর অতিরিক্ত কোন চাপ আসবে না। বরং কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা আরো লাভবান হবেন।
এনবিআর আশা করছে, আগামী অর্থবছরে ভ্যাট থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি আদায় হবে। যা দিন শেষে জনগণকেই দিতে হবে। তাই নতুন ভ্যাট আইনের ফলে জনগণের ওপর কোন চাপ পড়বে না, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এমন যুক্তির সঙ্গে অর্থনীতিবিদরা একমত নন।
এদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সরকার শেষ পর্যন্ত ভ্যাট হার ১৫ থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করতে পারে।